পাখির কলকাকলিতে শেষ হল বার্ড রেস ২০১৬

13048227_1046309368775567_6608109236679919808_o

গত ১৬ এপ্রিল জাকজমক ভাবেই শেষ হল ঢাকা বার্ডরেস ২০১৬। এবারের সর্বেমোট ৩৪টি দল অংশগ্রহণকরেছিল। দলগুলো ২ দিন ধরে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় পাখি দেখে । ঢাকার জাতীয় উদ্যান, রমনা পার্ক, উত্তরা, কেরানীগঞ্জ প্রতিযোগীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। দিনশেষে বিকেল ৫ টায় লগ বুক জমা দেয়া শেষ হলে শুরু হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক পর্ব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন গ্রহন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়য়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ সেলিম ভূঁইয়া,  জনাব ইশতিয়াক উদ্দিন আহমদ, প্রধান বন সংরক্ষক জনাব মোঃ আকবর হোসাইন এবং বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব জনাব জালাল আহমেদ । অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়য়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব প্রফেসর ড. মোঃ সাইফুল ইসলাম।  অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রভাষক শ্রীমান দিলীপ  কুমার দাস ঢাকার পাখিদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন , সাধারন মানুষের মাঝে পাখির প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করাই ঢাকা বার্ড রেসের মূল উদ্দেশ্য। ঢাকা বার্ড রেসের এবারের শ্লোগান ছিল “ গলির মাথায় একটি গাছ, তাতেই হোক পাখির বাস”।  IUCN এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি  জনাব ইশতিয়াক উদ্দিন আহমদ বলেন , প্রকৃতি বাচাতে পাখি ও তার আবাস্থল গাছকে বাঁচাতে হবে। কংক্রিটের ফুটপাথ যেন গাছের গাছের বীজকে ঢেকে ফেলতে না পারে তাই ঢাকার ফুটপাথ গুলতেও গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি। তিনি আরও বলেন নগরায়ন হওয়া উচিত পরিবেশ বান্ধব । প্রধান বন সংরক্ষক জনাব মোঃ আকবর হোসাইন বলেন , বাংলাদেশের পাখি সংরক্ষণে বন বিভাগ সর্বদাই তৎপর । ঢাকা শহরের পাখি সহ বাংলাদেশের সব পাখি সংরক্ষনের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান ঢাকা শহরে মেহগনি গাছের পরিবর্তে পাখি খায় এমন ফলজ গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন। পাখির আবাস্থল যেন ধ্বংস হয়ে না যায় সে বিষয়েও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

13041110_1046310918775412_1783833213737444133_o

আলোচনা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। ঢাকা বার্ড রেস ২০১৬ এর নান্দনিক আলোকচিত্র পর্বের বিজয়ী হন  বগুড়া বার্ড ক্লাবের আদনান আজাদ আসিফ ও তার দল হুতুমপেঁচা। বিরল পাখির আলোকচিত্র পর্বে বিজয়ী হন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ছাত্র গৌরাঙ্গ বিশ্বাস ও তার দল হাউজ ক্রো ।

 

Check Also

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সিটি করপোরেশনের নিরবতাই চিকুনগুনিয়ার ব্যপকতার জন্য দায়ী

১৯৫২ সালে প্রথম তানজানিয়ায় চিকুনগুনিয়া শনাক্ত হয়। বর্তমানে বিশ্বের ৬০টি দেশে রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে ২০০৮ সালে চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের অস্তিত্ব ধরা পড়লেও এবছরের মে মাস থেকে তার প্রকোপ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *