জলাতঙ্ক বিষয়ক সচেতনতা মূলক প্রচারণা প্রাধিকারের

img_0972

“জানুন, টিকা নিন, জলাতঙ্ক নির্মূল করুন” এই স্লোগান কে সামনে রেখে জলাতঙ্ক বিষয়ক সচেতনতা মূলক প্রচারণা  করে প্রাধিকার ।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রাণী অধিকার ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করা  ছাত্রছাত্রীদের সংগঠন “প্রাধিকার” এর উদ্যোগে আজ পহেলা অক্টোবর শনিবার নগরীর বালুচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০১৬ উপলক্ষ্যে একটি সচেতনতা মূলক এই ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।প্রাধিকার কর্মীরা স্কুলের ছোট ছোট বাচ্চাদের জলাতঙ্ক রোগ সম্পর্কে জানায়, কিভাবে এর টিকা নিতে হয় সে সম্পর্কে ধারণা দেয় এবং কিভাবে জলাতঙ্ক নির্মূল সম্ভব এ ব্যাপারে কথা বলে।

বিভিন্ন আলোচনার মাধ্যমে জানা যায়, বাংলাদেশে প্রত্যেক বছর প্রায় ২০০০ মানুষ জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়। যার ৬০ ভাগই হচ্ছে ১৫ বছর বয়সের নিচের শিশুরা। এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কুকুরের কামড়ের মাধ্যমে জলাতঙ্ক ছড়িয়ে থাকে।

প্রাধিকারের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ উজ্জ্বলের পরিচালনায় শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রাধিকারের সদস্য সৈয়দ আরিফ, প্রাধিকারের পরিচিতিমূলক বক্তব্য দেন প্রাধিকারের যুগ্ম সম্পাদক জুনেদ আহমদ।পরবর্তীতে জলাতঙ্ক নিয়ে মূল বক্তব্য দেন প্রাধিকারের সভাপতি মনজুর কাদের চৌধুরী।

এ সম্পর্কে প্রাধিকার সভাপতি মনজুর কাদের চৌধুরী বলেন , জলাতঙ্ক নির্মূলের জন্য আমাদের নিজেদের প্রতিষেধক টিকা নিতে হবে এবং সরকারি উদ্যোগে রাস্তার সকল কুকুরকে জলাতঙ্ক এর টিকা দিতে হবে। আর কোন কারণ ছাড়া কোন প্রাণীর কাছে গিয়ে তাকে ভয় দেখানো যাবে নাহ, এতে করে ঐ প্রাণির কামড়ানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পায় এবং পরবর্তীতে জলাতঙ্ক ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে।

পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে কুইজ পরীক্ষা নিয়ে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

img_0946-copy

এছাড়া প্রাণি আধিকার নিয়ে কথা বলেন প্রাধিকারের কোষাধক্ষ্য শাহরুল আলম, পাখি সংরক্ষণ নিয়ে কথা বলেন পাবলিক রিলেশন সেক্রেটারি আনিসুর রহমান, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ নিয়ে কথা বলেন পলাশ পাল। আরও উপস্থিত ছিলেন মাহদী রাহি ও রিফাত ।

এছাড়াও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ছিল ফ্লিপ কার্ড বিতরণ, ছোট বাচ্চাদের বিভিন্ন প্রাণী সংরক্ষণ সম্পর্কে ধারণা দেয়া ইত্যাদি।

Check Also

মৌসুমি ফলে বিষ দিয়ে নীরব গণহত্যা বন্ধের দাবি

মৌসুমী ফলের কুড়িঁ থেকে শুরু করে পাকা এবং বাজারজাত করন পর্যন্ত অত্যাধিক ও নির্বিচারে কীটনাশক ব্যবহারের ফলে জনগণ গুরুতর স্বাস্থ সমস্যার উচ্চ ঝুকিতে রয়েছে। ফলে চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে। এতে জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। রাসায়নিক বিষ মেশানো ফল খেয়ে মানুষ পেটের পীড়া, শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা, গ্যাস্ট্রিক, লিভার নষ্ট হয়ে যাওয়া, ক্যানসারসহ দীঘর্ মেয়াদি নানা রকম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *