টিলাগড় পরিস্কারে হাত লাগালো প্রাধিকার

“Keep Around Clean, Make Environment Green” এই স্লোগানে টিলাগড় ইকোপার্ক এলাকায় পরিষ্কার পরিচ্ছনতা অভিযান পরিচালনা করলো সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রাণি অধিকার ও জীববৈচিত্র‍্য  সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করা সংগঠন প্রাধিকার। ছয়টি দলের সমন্বয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে।

টিলাগড় ইকোপার্ক সিলেটে বর্তমানে অন্যতম একটি ভ্রমণ আকর্ষণ। এছাড়াও এখানে রয়েছে অনেক প্রজাতির বন্য প্রাণি এবং পাখি। টিলাগড় ইকোপার্কে খুব শীঘ্রই কাজ সমাপ্তির পরে নিয়ে আসা হবে নতুন অনেক প্রজাতির প্রাণি।

কিন্তু দুঃখের বিষয়, মানুষ প্রতিদিন ঘুরতে গিয়ে, যেখানে সেখানে খাবারের প্যাকেট ফেলে বা অন্য অনেক ভাবেই ইকো পার্ক এর পরিবেশ বিনষ্ট করছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে এক পর্যায়ে তা ইকোপার্কের পরিবেশ এবং প্রাণিদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

এজন্য টিম প্রাধিকার প্রথম বারের মত ইকোপার্ক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার পদক্ষেপ হাতে নিয়েছিল। এতে করে ইকোপার্ক পরিষ্কার করার পাশাপাশি তাঁরা সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কাজ করেছে, যাতে করে আশেপাশের স্থানীয়রা এবং ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা ইকোপার্ক নোংরা না করার ব্যাপারে সচেতন হয়।
উদ্যোগে সহযোগিতায় ছিল বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), সিলেট জেলা ও ভূমিসন্তান বাংলাদেশ।। ১২ টার পর অভিযান এবং সচেতনতা সম্পর্কিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ ধরনের কাজকে আরও এগিয়ে নেয়ার সংকল্প করেন ভলান্টিয়াররা।  তারা ইকোপার্কের মতো জায়গায় শুধু রাস্তার পাশেই ছয় বস্তা পলিথিন!! সংগ্রহ করেন যা মোট ছড়িয়ে থাকা পলিথিনের এক-দশমাংশও হবে না বলে মনে করেন প্রাধিকার সদস্যরা। তারা এক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এছাড়া টিলার গাছের শিকড়ে শিকড়েও পলিথিন আছে! পলিথিনগুলো গাছের পানিশোষন ক্ষমতা বন্ধ করে দেয়, শিকড় গজাতে এবং নতুন বংশবৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলে।

এ ধরনের আয়োজনে সহযোগিতার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান প্রাধিকারের সভাপতি মনজুর কাদের চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ উজ্জ্বল। ভূমিসন্তান বাংলাদেশের সমন্বয়কারী আশরাফুল কবির প্রাধিকারকে ধন্যবাদ জানান, এরকম একটি উদ্যোগের জন্য। তারা সবসময় সাথে থাকবেন বলে জানান।

Check Also

মৌসুমি ফলে বিষ দিয়ে নীরব গণহত্যা বন্ধের দাবি

মৌসুমী ফলের কুড়িঁ থেকে শুরু করে পাকা এবং বাজারজাত করন পর্যন্ত অত্যাধিক ও নির্বিচারে কীটনাশক ব্যবহারের ফলে জনগণ গুরুতর স্বাস্থ সমস্যার উচ্চ ঝুকিতে রয়েছে। ফলে চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে। এতে জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। রাসায়নিক বিষ মেশানো ফল খেয়ে মানুষ পেটের পীড়া, শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা, গ্যাস্ট্রিক, লিভার নষ্ট হয়ে যাওয়া, ক্যানসারসহ দীঘর্ মেয়াদি নানা রকম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *