শাবিপ্রবিতে চিল অবমুক্তকরলো গ্রিন এক্সপ্লোর সোসাইটি

পাখিটি বাংলায় ‘ভুবন চিল’ নামে পরিচিত। নামের মধ্যেই নামকরণের রহস্য লুকিয়ে আছে কেননা দুই মেরু আর দুই আমেরিকা মহাদেশ বাদে প্রায় পুরো পৃথিবী জুড়ে ভুবন চিলের দেখা মেলে,যেটা অন্য প্রজাতির চিলের ক্ষেত্রে এতো বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে দেখা যায় না।  কিন্তু পাখিটির সংখ্যা দিনদিন কমছে এবং সেকারণে আইইউসিএন এই প্রজাতিটিকে ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত বলে ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনে এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।

গত ৯ই অক্টোবর শাবিপ্রবির একমাত্র প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন ‘গ্রিন এক্সপ্লোর সোসাইটি’র রেস্কিউ উইং ক্যাম্পাসের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডের পাশথেকে একটি ভুবন চিল উদ্ধার করা হয়। চিলটির ডানা আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেকারণে শারীরিকভাবে দূর্বল থাকায় চিলটি সংগঠনটির রেস্কিউ উইং এর তত্ত্বাবধানে রেখে দেয়া হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা ও শারীরিকভাবে সক্ষম করে গত ১৫ই অক্টোবর শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসের সবুজ প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়। এ সম্পর্কে সংগঠনটির সভাপতি অনিক আহমেদ বলেন, ‘ধারনা করছি পাখিটির ডানা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে কারণে পাখিটি তার জীবন ধারনের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সংগ্রহ করতে পারেনি এবং পাখিটি আস্তে আস্তে দূর্বল হয়ে পড়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি পাখিটিকে তার নিজস্ব পরিবেশে যেন আগেই মতো সুস্থ করে ছাড়তে পারি’।

চিলটি অবমুক্তকালে সংগঠনটির প্রাক্তন সদস্য,সাধারন সদস্য এবং কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Check Also

শাবিপ্রবি’তে ‘গ্রিন এক্সপ্লোর সোসাইটির’ পঞ্চম বর্ষ পূর্তি উৎযাপন

মানবতার জন্য শেখো’ এই মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে ঠিক পাচ বছর আগে ২০১২ সালের ১১ই জানুয়ারি যাত্রা শুরু করেছিল শাবিপ্রবি’র প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক একমাত্র সংগঠন গ্রিন এক্সপ্লোর সোসাইটি। বুধবার সংগঠনটি সফলভাবে পাচ বছর শেষ করে ষষ্ঠ বছরে পদার্পণ করলো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *